Dr. Md. Nasir Uddin
Specialist in Kidney Diseases, Dialysis & Hypertension
Assistant Professor of Nephrology at Rajshahi Medical College & Hospital. Dedicated to providing evidence-based, ethical and compassionate care for patients with kidney diseases, hypertension and dialysis-related conditions.
Dr. Md. Nasir Uddin
MBBS (MMC), MD in Nephrology (NIKDU), CCD (BIRDEM)
Assistant Professor, Department of Nephrology — Rajshahi Medical College & Hospital
Committed to providing evidence-based, ethical and compassionate care for patients with kidney disease while promoting early diagnosis, prevention and long-term kidney health.
- Qualifications: MBBS (MMC), MD in Nephrology (NIKDU), CCD (BIRDEM)
- Current Role: Assistant Professor of Nephrology, Rajshahi Medical College & Hospital
- Previous Roles: Former Registrar (Nephrology) & Former Asst. Registrar (Medicine), RMCH
- Philosophy: Compassion • Excellence • Integrity
Specialized Nephrology & Kidney Services
Providing evidence-based kidney disease treatment, dialysis supervision, and hypertension management by Dr. Md. Nasir Uddin.
#1Chronic Kidney Disease
#2Acute Kidney Injury
#3Hypertension Related to Kidney Disease
#4Diabetic Kidney Disease (Diabetic Nephropathy)
#5Glomerulonephritis
#6Proteinuria & Hematuria Evaluation
#7Kidney Failure Management
#8Kidney Stone-Related Medical Management
#9Urinary Tract Infections (UTIs)
#10Polycystic Kidney Disease (PKD)
#11Nephrotic Syndrome
#12Pre-Dialysis & Post-Dialysis Patient Care
Check Your Kidney Function & Risk Level
আপনার ল্যাব রিপোর্টের সিরম ক্রিয়েটিনিন (Serum Creatinine) বা শারীরিক লক্ষণ সিলেক্ট করে নিমিষেই আপনার কিডনির কার্যক্ষমতা (eGFR) ও ঝুঁকি স্তর পরিমাপ করুন।
কিডনি রোগীদের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপন নির্দেশিকা
Dr. Md. Nasir Uddin — স্যারের সুনির্দিষ্ট পরামর্শ অনুযায়ী কিডনি রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, তরল নিয়ন্ত্রণ ও সুস্থ থাকার বৈজ্ঞানিক নির্দেশনা।

পানি ও তরল গ্রহণের সঠিক নিয়ম
সিকেডি বা ডায়ালাইসিস রোগীদের জন্য চিকিৎসকের দেওয়া নির্দিষ্ট মাপে পানি ও তরল গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।
করণীয় (What to Do):
- নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী মেপে পানি পান করুন।
- প্রস্রাবের পরিমাণ অনুযায়ী তরলের হিসেব বজায় রাখুন।
- চা, সুপ বা ঝোল জাতীয় খাবার পানি হিসেবে গণনা করুন।
বর্জনীয় (What to Avoid):
- প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি বা কোল্ড ড্রিংকস খাবেন না।
- একসাথে বেশি পরিমাণ পানি পান করা এড়িয়ে চলুন।

লবণ ও সোডিয়াম নিয়ন্ত্রণ নির্দেশনা
অতিরিক্ত লবণ রক্তচাপ বাড়ায় এবং শরীরে পানি জমিয়ে কিডনির ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করে।
করণীয় (What to Do):
- রান্নায় পরিমিত পরিমাণ রান্না করা লবণ ব্যবহার করুন।
- ঘরোয়া মশলা দিয়ে খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করুন।
বর্জনীয় (What to Avoid):
- খাবারের সাথে কাঁচা লবণ পুরোপুরি এড়িয়ে চলুন।
- পাপড়, আচার, চিপস ও প্রক্রিয়াজাত প্যাকেটজাত খাবার বর্জন করুন।

আমিষ ও প্রোটিনের সঠিক পরিমাপ
রোগের পর্যায় (Stage) অনুযায়ী কিডনি রোগীদের প্রোটিনের চাহিদা ভিন্ন হয়।
করণীয় (What to Do):
- সহজে হজমযোগ্য ভালোমানের প্রোটিন (ডিমের সাদা অংশ, দেশি মাছ) পরিমিত খান।
- ডায়ালাইসিস রোগীদের ক্ষেত্রে প্রোটিনের চাহিদা চিকিৎসকের থেকে জেনে নিন।
বর্জনীয় (What to Avoid):
- অতিরিক্ত লাল মাংস (গরু, খাসি) সেবন এড়িয়ে চলবেন।
- অনিয়ন্ত্রিত প্রোটিন সেবনে রক্তে ইউরিয়া বৃদ্ধি পেতে পারে।

পটাশিয়াম ও ফলমূল ব্যবহারে সতর্কতা
রক্তে পটাশিয়াম বৃদ্ধি পেলে হৃদস্পন্দন অনিয়মিত হয়ে জীবন ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
করণীয় (What to Do):
- সবজি রান্নার আগে ছোট ছোট করে কেটে পানিতে ভিজিয়ে সেদ্ধ করে পানি ফেলে দিন (Leaching)।
- ডাক্তারের নির্দেশিত কম-পটাশিয়াম যুক্ত ফল পরিমিত খান।
বর্জনীয় (What to Avoid):
- ডাবের পানি, কলা, মাল্টা, কামরাঙ্গা ও শুকনা ফল এড়িয়ে চলুন।
- পালং শাক, শালগম ও কাঁচা টমেটো চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাবেন না।

ব্যথানাশক ও হেকিমী ওষুধ বর্জন
অপ্রয়োজনীয় ব্যথানাশক সেবন বাংলাদেশে আকস্মিক কিডনি বিকল (AKI) হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ।
করণীয় (What to Do):
- যে কোনো ওষুধ সেবনের আগে প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী নেফ্রোলজিস্টের মত নিন।
- রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের ওষুধ নিয়মিত ও নির্দিষ্ট সময়ে সেবন করুন।
বর্জনীয় (What to Avoid):
- ফার্মেসি থেকে নিজে নিজে ব্যথানাশক (Painkiller/NSAIDs) কিনে খাবেন না।
- অনুমোদনহীন কবিরাজি, হেকিমী বা ভেষজ ওষুধ সেবন থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকুন।

রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও ল্যাব টেস্ট
নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণই কিডনি সুরক্ষা ও দীর্ঘায়ুর চাবিকাঠি।
করণীয় (What to Do):
- বাসায় নিয়মিত রক্তচাপ মেপে খাতায় তারিখসহ লিখে রাখুন।
- ৩-৬ মাস পর পর ক্রিয়েটিনিন, ইলেকট্রোলাইট ও ইউরিন পরীক্ষা করান।
বর্জনীয় (What to Avoid):
- সুস্থ বোধ করলেও ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া হুট করে ওষুধ বন্ধ করবেন না।
- ফলোআপ অ্যাপয়েন্টমেন্ট মিস করবেন না।
What Our Patients Say
Discover real experiences and recovery feedback from patients treated by Dr. Md. Nasir Uddin.
Expert Advice & Kidney Health Tips
Follow Dr. Md. Nasir Uddin's official Facebook health updates for essential kidney care guidance, dietary advice, and medical awareness.
Frequently Asked Questions
Find answers to some of the most common questions about our dermatological treatments and clinic policies.





